![]() |
| সূর্য গ্রহণের একটি দৃশ্য |
আলোক উৎস একবিন্দু না হলে ছায়ার দুটি অংশ তৈরি হয় প্রচ্ছায়া (Umbra) ও উপচ্ছায়া (Penumbra) ।
এই প্রচ্ছায়া ও উপচ্ছায়ার দৈর্ঘ্য নির্ভর করে উৎস থেকে অস্বচ্ছ পদার্থের দূরত্বের উপর এবং যার উপর ছায়া
পড়বে তার অবস্থানের উপর।সূর্যের ব্যাস চাঁদের ব্যাসের প্রায় চারশ’ গুণ এবং সূর্যের দূরত্বও পৃথিবী থেকে চাঁদের
দূরত্বের প্রায় চারশ’ গুণ। যার ফলে পৃথিবী থেকে চাঁদকে প্রায় সূর্যের সমানই দেখায়। কৌণিক ব্যাস হল আধা ডিগ্রি।
কিন্তু পৃথিবীর সূর্য প্রদক্ষিণ পথ এবং চাঁদের পৃথিবী প্রদক্ষিণ পথ ডিম্বাকৃতি হওয়ায় পৃথিবী থেকে সূর্য ও চাঁদের দূরত্ব
সব সময় এক থাকে না। যার ফলে পৃথিবী থেকে চাঁদের ও সূর্যের আকারও তুলনামূলকভাবে সামান্য ছোট বড় দেখায়।
পৃথিবী সূর্যকে একটি উপবৃত্তাকার পথে প্রদক্ষিণ করছে। আবার চাঁদ একইভাবে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীকে। সূর্য
মহাকাশে একটি বিস্তৃত আলোক উৎস। পৃথিবী ও চাঁদ আলোকহীন অস্বচ্ছ পদার্থ। ফলে এদের যে পাশে সূর্য থাকে
তার বিপরীত পাশে ছায়ার সৃষ্টি হয়। পৃথিবী ও চাঁদ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সরলরেখায় এলে একটির ছায়া অন্যটির
উপর পড়ে।পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়লে চন্দ্রগ্রহণের সৃষ্টি হয়। আর যখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীতে পড়ে ঐ ছায়ার
অন্তর্গত স্থানে সূর্যগ্রহণের সৃষ্টি হয়। গ্রহণ হতে হলে সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদকে একই সরলরেখায় আসতে হয় তাছাড়া গ্রহণ
হয় না ।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ দুটি যদি একই সরলরেখায় থাকতো তাহলে সাধারণত প্রতি পূর্ণিমাতে
চন্দ্রগ্রহণ এবং প্রতি অমাবস্যায় সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা। সূর্য ও পৃথিবী উভয়ে একই তল।কিন্তু চাঁদের কক্ষতল এই
তলের সঙ্গে ৫ ডিগ্রী কোণে হেলে থাকে। কাজেই চাঁদের কক্ষতলের অর্ধেক পৃথিবীর কক্ষতলের ওপরে এবং বাকি
অর্ধেক পৃথিবীর কক্ষতলের নিচে থাকে। আপন কক্ষপথে পৃথিবী প্রদক্ষিণকালে যে দুই দিন, চাঁদ দুই পাতাবিন্দুতে
পৃথিবীর কক্ষতল ভেদ করে, মাত্র সেই দুটি দিনই চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই তলে অবস্থান করে। কিন্তু, গ্রহণ হতে
গেলে এই তিনটিকে একই সমতলে থাকার পাশাপাশি এক সরলরেখাতেও আসতে হয়। চাঁদ এই দুই পাতবিন্দুর
কোনো একটি বা তার কাছে থাকা অবস্থায় যদি অমাবস্যা বা পূর্ণিমা হয় শুধুমাত্র তখনই সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই
সরলরেখায় এসে গ্রহণ ঘটায়।
সূর্যগ্রহণের সংখ্যা চন্দ্রগ্রহণের সংখ্যার থেকে বেশি। কোনও বছরে গ্রহণের সর্বনিম্ন সংখ্যা দুই এবং সে দুটিই
সূর্যগ্রহণ। আর কোনও বছরে সর্বাধিক গ্রহণ হচ্ছে সাত। যার পাঁচটি সূর্যগ্রহণ ও দুটি চন্দ্রগ্রহণ অথবা চারটি সূর্যগ্রহণ
ও তিনটি চন্দ্রগ্রহণ। ১৯৩৫ সালে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ এবং দুইটি চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল এবং ১৯৮২ সালে চারটি সূর্যগ্রহণ
ও তিনটি চন্দ্রগ্রহণ।সূর্যগ্রহণ আবার তিন রকম হতে পারে।যেমন -আংশিক বা খণ্ডগ্রাস, বলয়গ্রাস এবং পূর্ণগ্রাস ।
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হতে হলে চাঁদের আপাত ব্যাস সূর্যের সমান বা বেশি হতে হবে। সূর্য বেশিদূরে থাকলে এবং চাঁদ
বেশি কাছে থাকলে বেশি সময় ধরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সূর্যগ্রহণ দেখা যায় ।
যদি সূর্য কাছে এবং চাঁদ দূরে অবস্থান করে তখন ঐ পরিস্থিতিতে চাঁদের ছায়া পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না, অর্থাৎমহাকাশে একটি বিস্তৃত আলোক উৎস। পৃথিবী ও চাঁদ আলোকহীন অস্বচ্ছ পদার্থ। ফলে এদের যে পাশে সূর্য থাকে
তার বিপরীত পাশে ছায়ার সৃষ্টি হয়। পৃথিবী ও চাঁদ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সরলরেখায় এলে একটির ছায়া অন্যটির
উপর পড়ে।পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়লে চন্দ্রগ্রহণের সৃষ্টি হয়। আর যখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীতে পড়ে ঐ ছায়ার
অন্তর্গত স্থানে সূর্যগ্রহণের সৃষ্টি হয়। গ্রহণ হতে হলে সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদকে একই সরলরেখায় আসতে হয় তাছাড়া গ্রহণ
হয় না ।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ দুটি যদি একই সরলরেখায় থাকতো তাহলে সাধারণত প্রতি পূর্ণিমাতে
চন্দ্রগ্রহণ এবং প্রতি অমাবস্যায় সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা। সূর্য ও পৃথিবী উভয়ে একই তল।কিন্তু চাঁদের কক্ষতল এই
তলের সঙ্গে ৫ ডিগ্রী কোণে হেলে থাকে। কাজেই চাঁদের কক্ষতলের অর্ধেক পৃথিবীর কক্ষতলের ওপরে এবং বাকি
অর্ধেক পৃথিবীর কক্ষতলের নিচে থাকে। আপন কক্ষপথে পৃথিবী প্রদক্ষিণকালে যে দুই দিন, চাঁদ দুই পাতাবিন্দুতে
পৃথিবীর কক্ষতল ভেদ করে, মাত্র সেই দুটি দিনই চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই তলে অবস্থান করে। কিন্তু, গ্রহণ হতে
গেলে এই তিনটিকে একই সমতলে থাকার পাশাপাশি এক সরলরেখাতেও আসতে হয়। চাঁদ এই দুই পাতবিন্দুর
কোনো একটি বা তার কাছে থাকা অবস্থায় যদি অমাবস্যা বা পূর্ণিমা হয় শুধুমাত্র তখনই সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই
সরলরেখায় এসে গ্রহণ ঘটায়।
সূর্যগ্রহণের সংখ্যা চন্দ্রগ্রহণের সংখ্যার থেকে বেশি। কোনও বছরে গ্রহণের সর্বনিম্ন সংখ্যা দুই এবং সে দুটিই
সূর্যগ্রহণ। আর কোনও বছরে সর্বাধিক গ্রহণ হচ্ছে সাত। যার পাঁচটি সূর্যগ্রহণ ও দুটি চন্দ্রগ্রহণ অথবা চারটি সূর্যগ্রহণ
ও তিনটি চন্দ্রগ্রহণ। ১৯৩৫ সালে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ এবং দুইটি চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল এবং ১৯৮২ সালে চারটি সূর্যগ্রহণ
ও তিনটি চন্দ্রগ্রহণ।সূর্যগ্রহণ আবার তিন রকম হতে পারে।যেমন -আংশিক বা খণ্ডগ্রাস, বলয়গ্রাস এবং পূর্ণগ্রাস ।
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হতে হলে চাঁদের আপাত ব্যাস সূর্যের সমান বা বেশি হতে হবে। সূর্য বেশিদূরে থাকলে এবং চাঁদ
বেশি কাছে থাকলে বেশি সময় ধরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সূর্যগ্রহণ দেখা যায় ।
ছোট চাঁদ বড় সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না। তখন বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ হয়।
ধন্যবাদ ।

No comments:
Post a Comment